Sunday, September 24, 2017

ঘুরে আসুন দেশের একমাত্র ডিজিটাল পার্ক, সজীব ওয়াজেদ জয় ডিজিটাল পার্ক

লিখেছেনঃ মমিন সিকদার , মোহাম্মদপুর, ঢাকা।

গাঙ্গেয় অববাহিকার নিম্নাঞ্চলে অবস্থিত দেশের একমাত্র দ্বীপ জেলা ভোলা। এর আয়তন ৩,৪০৩.৪৮ বর্গ কিলোমিটার। উত্তর পশ্চিমে বরিশাল, উত্তর পূর্বে লক্ষ্মীপুর, পূর্বে নোয়াখালী জেলা, দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর এবং পশ্চিমে পটুয়াখালী জেলা ও তেঁতুলিয়া নদী।

রাতে নৌকার আলোকিত প্রতিকৃতি


শান্তির প্রতীক নৌকার  প্রতিকৃতি


শান্তির প্রতীক নৌকার  প্রতিকৃতি


 নৌকার আলোকিত প্রতিকৃতি


বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ডিজিটাল এলইডি টিভি


রাতে নৌকার আলোকিত প্রতিকৃতি


রাতে নৌকার আলোকিত প্রতিকৃতি



সজীব ওয়াজেদ জয় ডিজিটাল পার্কঃ 

ভোলার লালমোহন শাহবাজপুর কলেজ মাঠে অত্যন্ত সুরম্য ও মনোরম পরিবেশে নির্মাণ করা হয়েছে এ পার্কটি। এখান থেকে সরকারি-বেসরকারি শতাধিক সেবা পাওয়া যাবে। জেলা পরিষদ ভোলা ও লালমোহন পৌরসভার সার্বিক সহযোগিতায়, সাংসদ নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন এমপি এই পার্কের নির্মাতা।

এখানে রয়েছে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ডিজিটাল এলইডি টিভি, টিভিটি ৪০ ফুট বাই ৩০ ফুট। থাকছে ফ্রি ওয়াইফাই। যার মাধ্যমে সকল খেলাধুলাসহ অন্যান্য সামাজিক সচেতনতামূলক অনুষ্ঠান দেখা যাবে।সবচেয়ে আকর্ষণীয় শান্তির প্রতীক নৌকার বিশাল এক আলোকিত প্রতিকৃতি। এছাড়াও থাকছে ডিজিটাল বিনোদন ব্যবস্থাসহ আরও অনেক কিছু।

কিভাবে ভোলা যাওয়া যাবে:

ভোলা যাবার জন্যে লঞ্চ পথ বেছে নেওয়াটাই উত্তম। শুধু সদরঘাট পর্যন্ত যানজট এড়িয়ে কোন মতে লঞ্চে উঠে পড়তে পারলেই তারপরের জার্নিটুকু আরামদায়ক।
সড়ক পথেও ভোলা যাওয়া যায়। সেক্ষেত্রে ঢাকা থেকে লক্ষীপুর পর্যন্ত যেতে হবে। এরপর সী-ট্রাকে করে নদী পার হতে হবে। লক্ষীপুর থেকে ভোলা পর্যন্ত প্রতিদিন দুপুর ১২টায় সী-ট্রাক ছেড়ে যায়।

আরো জানতে আমাকে ইনবক্স করতে ক্লিক করুন - Momin Sikder
অথবা ফোন করতে পারেনঃ 01788550080


Tuesday, July 18, 2017

ঘুরে আসুন প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপরূপ লীলা ভূমি মনপুরা দ্বীপ, ভোলা


লিখেছেনঃ মমিন সিকদার, ভোলা।

 প্রাণী ও উদ্ভিদ সম্পদের বৈচিত্রে ভরপুর এ দ্বীপে না আসলে বোঝাই যাবে না এ দ্বীপ উপেজলায় কি মায়া লুকিয়ে আছে। পর্যটক বা ভ্রমণ পিপাসু মানুষকে মুগ্ধতার বন্ধনে আটকে দেয়ার বহু জাদু ছড়ানো আছে এ দ্বীপে। এখানে ভোরের সূর্য ধীরে ধীরে পৃথিবীতে তার আগমনী বার্তা ঘোষণা করে। আবার বিকালের শেষে এক পা-দুপা করে সে আকাশের সিঁড়ি বেয়ে লাল আভা ছড়াতে ছড়াতে পশ্চিমাকাশে মুখ লুকোয়। রাতে নতুন শাড়িতে ঘোমটা জড়ানো বধুর মত সলাজ নিস্তব্ধতা ছেয়ে যায় পুরো দ্বীপ।
জমির শাহ পূর্ণ সাধকের স্মৃতি বিজড়িত এই মনপুরা দ্বীপের ইতিহাসে বেশ প্রাচীন। সাতশ বছর আগে পর্তুগিজ জলদস্যুদের আস্তানা ছিল মনপুরায়। তাই আজও এখানে পর্তুগিজদের নিয়ে আসা কেশওয়ালা লোমশ কুকুর দেখতে পাওয়া।
মনপুরার প্রধান আকর্ষণ হচ্ছে হাজার হাজার একরের ম্যানগ্রোভ বন।
 যেখানে জীবিত গাছের সংখ্যা এক কোটিরও বেশি। মাইলের পর মাইল বৃক্ষরাজির বিশাল ক্যানভাস মনপুরাকে সাজিয়েছে সবুজের সমারোহে।
মনপুরার বিচ্ছিন্ন চরাঞ্চল চর তাজাম্মুল, চরজামশেদ, চরপাতিলা, চর পিয়াল, চরনিজাম, লালচর, বালুয়ারচর, চর গোয়ালিয়া, সাকুচিয়াসহ ছোট-বড় ১০-১২টি চরে বন বিভাগের প্রচেষ্টায় চলছে নীরব সবুজ বিপ্লব। চোখ ধাঁধানো রূপ নিয়েই যেন এসব চরের জন্ম। চরগুলো কিশোরীর গলার মুক্তোর মালার মতো মনপুরাকে ঘিরে আছে। শীত মৌসুমে হাজার হাজার অতিথি পাখির কলকাকলিতে মুখর থাকে সমগ্র চরাঞ্চল।
 চরাঞ্চলের অতিথি পাখির উড়ে বেড়ানো, হরিনের পালের ছোটাছুটি, সুবিশাল নদীর বুক চিরে ছুটে চলা জেলে নৌকা, ঘুরে বেড়নো মহিষের পাল আর আকাশ ছোঁয়া কেওড়া বাগান কঠিন হৃদয়ের মানুষের মনও ছুঁয়ে যায়। চারদিকে নদীবেষ্টিত মনপুরায় নৌকা কিংবা সাম্পানের ছপছপ দাঁড় টানার শব্দ আর দেশি-বিদেশি জাহাজের হুঁইসেলের মিলে মিশে একাকার হলে মনে হয় কোনো দক্ষ সানাইবাদক আর তবলচির মন ভোলানো যুদ্ধ চলছে।

মনপুরায় যে শুধু প্রাকৃতিক দৃশ্যই দেখা যাবে তা নয়। গতানুগতিক সব খাবার ছাড়াও তিনটি স্পেশাল আইটেম আছে মনপুরার। এগুলো হচ্ছে খাসি পাঙ্গাস, মহিষের দুধের কাঁচা দই ও শীতের হাঁস।
নদী থেকে ধরে আনা টাটকা খাসি পাঙ্গাস আর চরাঞ্চলে ঘুরে বেড়নো মহিষের পাল (বাতান) থেকে সংগৃহিত কাঁচা দুধ বা দইয়ের স্বাদই আলাদা। তাছাড়া মেঘনার টাটকা ইলিশের স্বাদও ভোলা যায় না কখনো। মনপুরার দক্ষিণ-পূর্ব প্রান্তে সরাকারি ও ব্যক্তিমালিকানাধীন জায়গায় গড়ে উঠেছে মনপুরা ফিশারিজ লিমিটেড। ছয় কিলোমিটার দীর্ঘ ও ২১০ একর জমিতে গড়ে ওঠা ওই খামারবাড়িতে সরকারি ব্যবস্থাপনায় গড়ে উঠতে পারে পর্যটন কেন্দ্র। এ খামার বাড়িতে রয়েছে বিশাল চার-পাঁচটি পুকুর ও বাগান। সেখানে নারিকেল গাছের সংখ্যা প্রায় দুই হাজার। দৃষ্টিনন্দন এ খামার বাড়িটি হতে পারে পর্যটকদের জন্য বাড়তি আকর্ষণ।

ভোলা জেলার ইতিহাস সূত্রে জানা যায়, তেরশ শতাব্দীতে এ দ্বীপের উৎপত্তি হয়। তবে মানুষের বসবাস শুরু হয় ষোড়শ শতাব্দীতে। দ্বীপটি বাকলা চন্দদ্বীপের (বরিশালের পূর্ব নাম) জমিদারি প্রথার অন্তর্ভুক্ত ছিল। সে সময় কয়েকজন ইউরোপীয় পরিব্রাজক ডারথেমা লি ব্রাংক, সিজার ফ্রেডরিক ও মউনরিক এই দ্বীপ ভ্রমণে আসেন। এ সময় মি. মউনরিক তৎকালীন দক্ষিণ শাহবাজপুর ও চর মনপুরাকে উদ্ভিদ বৈচিত্র্য পরিপূর্ণ দ্বীপ হিসেবে চিহ্নিত করেন।
১৫১৭ সালে এই পরিব্রাজকরা তাদের ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য মনপুরাকে নির্বাচিত করে বসতি স্থাপন শুরু করেন। তখন এ দ্বীপটির অপার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, নদী জলাশয়ের মাছ, পশুসম্পদ, মহিষের দুধ, পনির এবং দই যে কোনো আগন্তুকের মন ভরিয়ে দিত বলে এই দ্বীপের নামকরণ করা হয় মনপুরা। তবে মনপুরার নামকরণ নিয়ে মতবিরোধ রয়েছে।
ঐতিহাসিক বেভারিজ মনপুরার নামকরণ নিয়ে লিখেছেন, মনগাজী নামের এক ব্যক্তি সেই সময়ের জমিদারি থেকে মনপুরা চর লিজ নেন অষ্টাদশ শতাব্দীর মধ্যভাগে। পরবর্তী সময়ে তার নামনুসারে এই দ্বীপটির নামকরণ করা হয় মনপুরা। স্থানীয় লোককাহিনী মতে, মনগাজী নামের এখানকার একজন মাঝি বাঘের আক্রমেণ প্রাণ হারালে এ চরের নাম হয়ে যায় মনপুরা। এই দ্বীপটি এক সময় হাতিয়া-সন্দ্বীপের সঙ্গে যুক্ত ছিল এবং মোঘল শাসনামলে এখানে সন্দ্বীপের লোকেরা বসতি স্থাপন শুরু করে।
১৮৩৩ সালে মনপুরাকে ভোলার অধীনে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত দেয়া হয়। এর একশ বছর পর ১৯৮৩ সালে মনপুরা উপজেলায় উন্নীত হয়।

কিভাবে যাবেন

ঢাকা থেকে মনপুরা যাওয়ার জন্য সদরঘাট থেকে সরাসরি লঞ্চ এ যাওয়াটাই বেশি উপভোগ্য এবং কম ঝামেলাপূর্ণ।

ঢাকার সদরঘাট থেকে যেতে হবে - ঢাকা থেকে মনপুরা যাওয়ার জন্য প্রতিদিন ২ টা লঞ্চ বরাদ্দ রয়েছে – ৪ টা লঞ্চ রোটেশন পদ্ধতিতে ডেইলি ২ টা করে ছেড়ে যায়, প্রতিদিন বিকাল ৫.৩০ মিনিট ও সন্ধ্যা ৬.৩০ মিনিট, লঞ্চ ১ মিনিট ও লেট করে না, বি কেয়ার ফুল। 
যাত্রা পথে লঞ্চ থেকে সূর্যাস্থ ও সূর্যাদয় দেখতে ভুলবেন না ।
আপনাকে নামতে হবে মনপুরা (রামনেওয়াজ লঞ্চ ঘাট)।

(ঢাকায় ফেরত যাবার লঞ্চ ছাড়ে দুপুর ২ টায়)
আরো কিছু জানতে হলে আমাকে ইনবক্স করতে পারেনঃ-  Momin Sikder
অথবাঃ ফোন করতে পারেন  ঃ- 01788550080

লঞ্চ থেকে নামার পরঃ 

রাম্নেওয়াজ ঘাট এ নামলে আপনাকে হোটেল বা আবাসন এর জন্য আপনাকে মটরসাইকেল/ ভ্যান এ যেতে হবে। মটরসাইকেল ভাড়া ১০০ টাকার মত।

থাকার ব্যবস্থাঃ 

ক্যাম্পিং করার জন্য আদর্শ জায়গা মনপুরা। চোর ডাকাতের বালাই নেই। আছে আদিগন্ত বেলা ভূমি। একটা ভালো জায়গা দেখে তাবু ফেলে নিন। পড়শীদের সাথে রফা করে রান্নার আয়োজন করতে পারবেন। আর যাদের তাবু নেই তারা নীচের হোটেল / বাংলো তে থাকতে পারেন (সাধারন মান)।

- হোটেল দ্বীপ 
- প্রেস ক্লাব গেষ্ট হাউস
- হোটেল আইল্যান্ডঃ সদর রোড, হাজিরহাট বাজার মনপুরা, ভোলা 
- কারিতাস হোটেলঃ হাজিরহাট বাজারের দক্ষিন পাশে মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠের সাথে = অবস্থিত।
- পানি উন্নয়ন বোর্ড ডাকবাংলোঃ উপজেলা সদরের হাজিরহাট বাজারের দক্ষিন পাশ্বে আবাসিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সামনে অবস্থিত 
- জেলা পরিষদ ডাকবাংলোঃ উপজেলা সদরের বাঁধের হাটের সরকারী দিঘীর পাশে জেলা পরিষদ ডাকবাংলোটি অবস্থিত। : 

এছাড়া চোধুরী সাহেবের বাংলো সহ আরো অনেক থাকার বোর্ডিং বা হোটেল আছে। দরদাম করে থাকতে পারবেন।

খাবার দাবারঃ

খাবার দাবার বেশি একটা ভালো পাবেন, সামুদ্রিক মাছ, মাংস, মোটা চালের ভাত, রুটি সব ই পাবেন, এখানে খাবারের রীতিমত আইটেম ছাড়াও বিশেষ বিশেষ কিছু খাবার না খেলে আপনার মনপুরা যাওয়া বৃথা, শীতের হাঁস, মহিষের কাচা দধি, টাটকা ইলিশ, বড় কই, মাগুর, কোরাল, বোয়াল ও গলদা চিংড়ি। মেঘনা নদী থেকে ধরে আনা টাটকা ইলিশ ও চর থেকে আনা কাঁচা দুধের স্বাদই আলাদা।

ধন্যবাদ.............


আরো কিছু জানতে হলে আমাকে ইনবক্স করতে পারেনঃ-  Momin Sikder
অথবাঃ ফোন করতে পারেন  ঃ- 01788550080

বাংলাদেশের ভ্রমণ স্বর্গ বান্দরবানে কিভাবে যাবেন জেনে নিন




বাংলাদেশের ভ্রমণ স্বর্গে যেতে চান অমৃতসুধা পান করতে ? তার সাথে মেঘের সঙ্গে লুকোচুরি খেলাটাও সেরে নিতে পারবেন  প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আর পাহাড়ি সবুজের সমারোহ আর মেঘ ছুঁয়ে দেখার ইচ্ছা কার না থাকে ! জন্য বান্দরবানের জুড়ি নেই। নীলগিরিতে মেঘের সঙ্গে খেলা করার অপূর্ব সুযোগ রয়েছে এই বর্ষাকালে  নীলগিরির পাহাড়ে  পাহাড়ে যেন মেঘেরা বাসা বেঁধেছে আপনাকে মেঘ ছুঁয়ে যাবে তার অনাবিল মায়াবেষ্টনি দ্বারা মায়া যেন মহামায়া, যা আপনাকে বারবার টেনে নিয়ে যাবে মেঘের কোলে
বান্দরবানে এলে প্রথমেই আপনি যেতে পারেন নীলগিরি। পথে শৈলপ্রপাত চিম্বুক দেখা হবে। বাহন হিসেবে উত্তম চান্দের গাড়ি আঁকাবাঁকা সর্পিল পাহাড়ি পথ। দক্ষ চালক না হলে পথে গাড়ি চালানো কঠিন। শহর থেকে নীলগিরির দূরত্ব ৫৫ কিলোমিটার। পাহাড়ের পাশ কেটে অত্যন্ত কঠিন পরিশ্রমে পথ তৈরি করেছেন আমাদের সেনাবাহিনী। পথের একপাশে খাড়া পাহাড়, আরেক পাশে গভীর খাদ। চালকের একটু ভুল ডেকে আনতে পারে ভয়াবহ পরিণতি। গাড়ির চাকা পিছলে গেলে সোজা কয়েক ফুট নিচেভাবতে মেরুদণ্ডের মাঝখান দিয়ে শীতল রক্তস্রোত বয়ে যায়
পথের দুই পাশে জানা-অজানা গুল্ম, লতাগুল্ম আর গাছের সারি। মাথার ওপর নীল আকাশ। দূরে পাহাড়চূড়ায় সাদা মেঘ খেলা করছে। মেঘেরা যেন হাতছানি দিয়ে ডাকছে। আস্তে আস্তে মেঘের রাজ্যে প্রবেশ
বান্দরবান শহর থেকে পাঁচ কিলোমিটার দূরে পাথুরে ঝরনা শৈলপ্রপাত। মূল সড়ক থেকে সিঁড়ি বেয়ে নামতে হয় ঝরনায়। প্রচুর পানি, খুবই ঠাণ্ডা। পাহাড়ি শিশুরা ঝরনার পানিতে খেলা করে। উপজাতি নারীরা গোসল শেষে কলসি ভরে পানি নিয়ে যায়। ঝরনার পানিতেই পাহাড়িরা সারেন প্রয়োজনীয় রান্নাবান্না
বান্দরবানের যত গুলো জনপ্রিয় স্হান রয়েছে সেগুলোতে সহজে পৌঁছানোর একটা রুটপ্লান দেওয়া হলো যারা বান্দরবান ভ্রমণে যেতে চান এই পোস্টি আশা করি তাদের কাজে লাগবে

কি ভাবে যাবেন?
প্রথমে যাবার প্লানটা ঠিক করুন কোন রুটে গেলে আপনার সুবিধা হবে
ঢাকা থেকে বান্দরবান যেতে আপনি / টি রুট ব্যবহার করতে পারেন। ঢাকা থেকে ট্রেনে বা বাসে প্রথমে চট্টগ্রাম তারপর চট্টগ্রাম থেকে সোজা বান্দরবান।
ঢাকা থেকে বান্দরবান ডাইরেক্ট => ঢাকা থেকে বান্দরবান পযর্ন্ত ডাইরেক্ট একটি গাড়ী চলে  এস.আলম (নন এসি) এস.আলমের কমলাপুর রেল ষ্টেশনের বিপরীত কাউন্টার থেকে গাড়িটি ছাড়ে।
ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে => ট্রেনে:
চট্টগ্রাম থেকে বান্দরবান => বহদ্দারহাট টার্মিনাল থেকে পূরবী এবং পূর্বাণী নামক দুটি ডাইরেক্ট নন এসি বাস আছে ৩০ মিঃ পর পর বান্দরবানের উদ্দ্যেশে ছেড়ে যায়। 


কোথায় থাকবেন?
রেশনের একটি হোটেল আছে মেঘলাতে।
হোটেল ফোর স্টার
হোটেল থ্রী স্টার : এটি বান্দরবান বাস স্টপের পাশে অবস্থিত। নীলগিরির গাড়ী এই হোটেলের সামনে থেকে ছাড়া হয়। এটি /১০ জন থাকতে পারে বেডের এমন একটি ফ্ল্যাট।
হোটেল প্লাজা বান্দরবান: এটি বাজারের কাছে অবস্থিত।
কি কি দেখবেন?

নীলগিরি :
বান্দরবান জেলা সদর থেকে ৪৭ কি:মি: দক্ষিণ পূর্বদিকে লামা উপজেলার অংশে সমুদ্রপৃষ্ট থেকে ২২০০ ফুট উপরে বাংলাদেশের নতুন পর্যটন কেন্দ্র নীলগিরির অবস্থান। যাকে বাংলাদেশের দার্জিলিং হিসাবে অবহিত করা যায়। যেখানে পাহাড় আর মেঘের মিতালী চলে দিনরাত। আপনিও ঘুরে আসতে পারেন মেঘের দেশে। তবে যারা মেঘ ভালোবাসেন তারা জুন-জুলাইতে অর্থাৎ বর্ষাকালে ভ্রমণে গেলে বেশী মজা পাবেন। কারন মেঘ তখন আপনা হতে এসে আপনাকে ধরা দিয়ে যাবে।
নীলগিরি যাওয়া হোটেল বুকিং অন্যান্য: নীলগিরি সেনাবাহিনী নিয়ন্ত্রিত একটি পর্যটন স্পট। বর্তমানে নীলগিরির কটেজ গুলো এপ্রিলের ১৫ তারিখ পর্যন্ত সব বুকড করা আছে। আপনি ইচ্ছে করলে এর পরের জন্য বুকড করতে পারবেন। ভি.আই.পি নাম্বার-০১৯২৫৮৮২৩৩৮ শুধু মাত্র সেনাবাহিনী অফিসার উচ্চ পদস্থ সরকারী কমকর্তার জন্য।

কি ভাবে যাবেন:
নীলগিরি যেতে হলে আগে থেকে ল্যান্ড ক্রুজার জিপ ভাড়া করতে হবে। সময় লাগবে আসা-যাওয়ায় ঘন্টা ৩০মিনিটের মতো
স্বর্ণমন্দির:

বর্তমানে স্বর্ণমন্দির উপাশনালয়টি বান্দরবান জেলার একটি অন্যতম পর্যটন স্পট হিসাবে পরিগনিত হচ্ছে। বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম এই "বৌদ্ধ ধাতু জাদী" কে স্বর্ণমন্দির নামাকরন করা হয়। এটি বৌদ্ধ ধর্মাম্বলীদের একটি উল্লেখযোগ্য উপাশনালয়। যাহা বান্দরবান শহর থেকে কি:মি: উত্তরে বালাঘাট নামক এলাকায় পাহাড়ের চূঁড়ায় অবস্থিত। এটির নির্মাণশৈলী মায়ানমার, চীন থাইল্যান্ডের বৌদ্ধ টেম্পল গুলোর আদলে তৈরী করা হয়। বান্দরবান ভ্রমণে আপনিও এই জাদী বা স্বর্ণমন্দিরটি একবার স্বচক্ষে দেখে আসতে পারেন
মেঘলা :


নাম মেঘলা হলেও মেঘের সাথে মেঘলা পর্যটন স্পটের কোন সর্ম্পক নেই। বান্দরবান জেলা শহরে প্রবেশের কি:মি: আগে মেঘলা পর্যটন এলাকাটি অবস্থিত। এটি সুন্দর কিছু উঁচু নিচু পাহাড় বেষ্টিত একটি লেককে ঘিরে গড়ে উঠে। ঘন সবুজ গাছ আর লেকের স্বচ্ছ পানি পর্যটককে প্রকৃতির কাছাকাছি টেনে নেয় প্রতিনিয়ত। পানিতে যেমন রয়েছে হাঁসের প্যাডেল বোট, তেমনি ডাঙ্গায় রয়েছে মিনি চিড়িয়াখানা। আর আকাশে ঝুলে আছে রোপওয়ে কার। এখানে সবুজ প্রকৃতি, লেকের স্বচ্ছ পানি আর পাহাড়ের চুঁড়ায় চড়ে দেখতে পাবেন ঢেউ খেলানো পাহাড়ী বান্দরবানের নয়নাভিরাম দৃশ্য। মেঘলা পর্যটন স্পটের পাশেই রয়েছে বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের বান্দরবান পর্যটন হোটেলটি
শৈল প্রপাত :
শৈল প্রপাত বান্দরবান শহর হতে কি:মি: দক্ষিণ পূর্বে চিম্বুক বা নীলগিরি যাওয়ার পথে দেখা যাবে
নীলাচল :


নীলাচল বান্দরবান শহর হতে ১০ কি:মি: দক্ষিণে ১৭০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত একটি পর্বত শীর্ষ। যেখান থেকে নীলআকাশ যেন তার নীল আচল বিছিয়ে দিয়েছে ভূমির সবুজ জমিনে। যে দিকে দুচোখ যায় অবারিত সবুজ নীল আকাশের হাতছানি। মুগ্ধতায় ভরে উঠে মন প্রাণ
মিলনছড়ি :

মিলনছড়ি বান্দরবান শহর হতে কি:মি: দক্ষিণ পূর্বে শৈল প্রপাত বা চিম্বুক যাওয়ার পথে পড়ে। এখানে একটি পুলিশ পাড়ি আছে। পাহাড়ের অতি উচ্চতায় রাস্তার ধারে দাড়িয়ে পূর্ব প্রান্তে অবারিত সবুজের খেলা এবং সবুজ প্রকৃতির বুক ছিড়ে সর্পিল গতিতে বয়ে সাঙ্গু নামক মোহনীয় নদীটি
চিম্বুক :
চিম্বুক বান্দরবনের অনেক পুরনো পর্যটন স্পট। বান্দরবান শহর হতে ২১ কি:মি: দক্ষিণ পূর্বে মিলনছড়ি এবং শৈল প্রপাত ফেলে চিম্বুক যেতে হয়। এখানে পাহাড়ের চুঁড়ায় রেষ্টুরেন্ট এবং একটি ওয়াচ টাওয়ার আছে।পাহাড়ের চুঁড়া থেকে চারদিকের সবুজ প্রকৃতির সৌন্দয্য অবগাহন এখানে প্রকৃতি প্রেমীদের টেনে আনে
সাঙ্গু নদী :


পূর্বের অতিউচ্চ পর্বত শীর্ষ থেকে সাঙ্গু নদী নেমে এসে বান্দরবন শহরের পাশ দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে মিশে গেছে। বান্দরবান শহরের পূর্বে পাশে পাহাড়ী ঢালে বয়ে চলা সাঙ্গু নীদ দেখতে দারুন দৃষ্টি নন্দন
বিঃদ্রঃ কোথাও ঘুরতে গেলে খেয়াল রাখবেন আপনার দ্বারা বা আপনার সাথে যারা যাবে তাদের দ্বারা উক্ত স্থানের কোন ধরণের যেন ক্ষতি না হয়।
ধন্যবাদ............
আরো কিছু জানতে আমাকে
ইনবক্স করতে পারেন- Momin Sikder
ফোন করতে পারেন- 01788550080